…বিশ্বের জাতিসমূহ ও ধর্মসমূহের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানাতে এবং আমূল বদলে যাওয়া এক পৃথিবীর জন্য ও বুদ্ধিমান প্রাণে পূর্ণ এক বৃহত্তর মহাবিশ্বে মানবজাতির নিয়তির জন্য তাকে প্রস্তুত করতে।
~ সংযুক্তি
নতুন বাণী হলো এক ঐশী উৎস থেকে আসা বার্তা, যা মার্শাল ভিয়ান সামার্স ৪০ বছর ধরে গ্রহণ করেছেন।
এই ঐশী বার্তা এমন শিক্ষা, প্রজ্ঞা ও সচেতনতা দেয় যা কাজে লাগিয়ে আমরা চ্যালেঞ্জে ভরা এক নতুন পৃথিবীতে সফলভাবে বাঁচতে পারি, এবং তা আমাদের সহজাত আধ্যাত্মিক বুদ্ধিমত্তা—যাকে নতুন বাণী “জ্ঞান” বলে—বিকাশের পথ খুলে দেয়; এই জ্ঞানই প্রত্যেক মানুষের কাছে সেই চাবিকাঠি, যা দিয়ে সে মানবজাতির সেবায় নিজের অনন্য অবদান খুঁজে পেতে ও পূর্ণ করতে পারে।
নতুন বাণীর উদ্দেশ্য হলো মানবজাতির ভেতরে এই আধ্যাত্মিক বুদ্ধিমত্তা জ্বালিয়ে তোলা, বিশ্বের জাতিসমূহ ও ধর্মসমূহের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানানো, এবং আমূল বদলে যাওয়া এক পৃথিবীর জন্য ও বুদ্ধিমান প্রাণে পূর্ণ এক বৃহত্তর মহাবিশ্বে মানবজাতির নিয়তির জন্য তাকে প্রস্তুত করা।
গত ৪০ বছর ধরে মার্শাল ভিয়ান সামার্স এমন এক উৎস থেকে ধারাবাহিক বার্তা পেয়ে আসছেন, যা নিজেকে এক দেবদূতীয় উপস্থিতি বলে পরিচয় দিয়েছে। এই বার্তাগুলো প্রত্যাদেশের অবস্থায় তাঁর মধ্য দিয়ে উচ্চারিত হয়েছে, যা রেকর্ড করা হয়েছে, লিখে রাখা হয়েছে এবং পরে ৩৫টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এই সাক্ষাৎগুলো ১৯৮২ সালে শুরু হয় এবং আজও চলছে।
শেষ পর্যন্ত এই প্রেরণ-প্রক্রিয়া পৃথিবীতে প্রায় ১,০০০টি প্রত্যাদিষ্ট পাঠ নিয়ে আসে, যেগুলো আমাদের জীবনের প্রায় প্রতিটি দিক নিয়ে কথা বলে; কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে সেগুলো উন্মোচন করে যে আমাদের পৃথিবী প্রাণে পূর্ণ এক বৃহত্তর মহাবিশ্বে প্রবেশ করছে, আর দেখায় আমাদের সময়ের বৈশ্বিক সংকটগুলোর ভেতর দিয়ে পথ করে টিকে থাকার উপায়।
আজ ৩০টিরও বেশি বইয়ে সংকলিত নতুন বাণীর পাঠগুলো আমাদের পৃথিবীর জন্য এক ঐশী সতর্কবার্তা, আশীর্বাদ ও প্রস্তুতি, যা সর্বত্র সব মানুষের জন্য উন্মুক্ত।
পৃথিবীতে এখন দেখা দেওয়া চারটি মৌলিক সংকটের কারণে নতুন বাণী এসেছে:
আমরা মানব ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে বাস করছি। এ এমন এক সময়, যা সর্বত্র প্রত্যেকের জন্যই নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ নিয়ে এসেছে। মানবজাতি গ্রহজুড়ে পরিবেশগত পরিবর্তনের ঝুঁকি, ক্রমবর্ধমান সংঘাত এবং নিজের রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোর ভাঙনের মুখোমুখি। এ যেন আগে কখনও না ঘটা এক পরীক্ষা মানবজাতির জন্য। একই সঙ্গে এ এমন এক সময়, যখন আমাদের পৃথিবীর বাইরের প্রাণের সঙ্গে যোগাযোগ ঘটছে—আর তা মানব-পরিবারের জন্য বিপজ্জনক তাৎপর্য বহন করে।
তবু বিশ্ব-ঐক্য ও বৈশ্বিক সহযোগিতার সুযোগ আর কখনও এত বড় ছিল না। আমাদের পরিবেশের ভেঙে পড়া এবং অন্য বুদ্ধিমান প্রাণের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া আর কী আমাদের পৃথিবীকে এক করতে পারে?
নতুন বাণী আমাদের আহ্বান জানায় এই সুযোগের দিকে মনোযোগ দিতে এবং মানব-প্রজাতির জন্য কল্যাণকর পরিণতির লক্ষ্যে কাজ করতে। আপনি কোথায় জন্মেছেন, কীভাবে বড় হয়েছেন কিংবা এখন কী অবস্থায় আছেন—তা যাই হোক, আপনি মানব ইতিহাসের এই নির্ণায়ক অধ্যায়েরই অংশ।
নতুন বাণী শেখায় যে আমরা প্রত্যেকেই এই সময়ে পৃথিবীতে আসতে বেছে নিয়েছি—নিজেদের গভীরতর প্রকৃতি ও গড়ন অনুসারে এবং জীবনের গতিপথ ও চলাকে সমর্থন করার সত্যিকারের ইচ্ছা অনুসারে সেবা করতে ও অবদান রাখতে। নিজেকেই জিজ্ঞেস করুন: “আমার কি এটিই করা দরকার?”
প্রত্যেক মানুষের কাজ ও সিদ্ধান্ত—এখন এবং আগামী বছরগুলোতেও—সব পার্থক্য গড়ে দেবে। আমাদের কাজ ও সিদ্ধান্তকে শক্তি ও স্পষ্টতা দিতেই নতুন বাণী সবার জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে।
আগামী কয়েক দশকই আমাদের পৃথিবীর ভবিষ্যৎ অনেকখানি নির্ধারণ করবে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে আমরা হয় ঐক্য ও সহযোগিতার পথ বেছে নেব, নয়তো সংঘাত ও অবক্ষয়ের পথে এগোব।
আমাদের পৃথিবী বুদ্ধিমান প্রাণে পূর্ণ এক বৃহত্তর মহাবিশ্বে প্রবেশ করছে। আমাদের পৃথিবীর বাইরের প্রাণের সঙ্গে যোগাযোগ কয়েক দশক ধরে চলছে এবং তা মানব-প্রজাতির জন্য এক বড় বিবর্তনীয় প্রান্তসীমা। মহাবিশ্বে আমরা একা নই; এখন আমাদের বিভাজন পেরিয়ে অপরিহার্য পদক্ষেপগুলো নিতে হবে, যাতে আমরা এক মানব-পরিবার হয়ে উঠি এবং প্রাণের এই বৃহত্তর পরিসরে সফলভাবে অংশ নিতে পারি।
নতুন বাণী মহাবিশ্বে প্রাণ ও পারস্পরিক সম্পর্কের ইতিহাস সম্পর্কে এক প্রত্যাদেশ দেয় এবং এই বৃহত্তর পরিবেশে আমাদের মানবিক ভবিষ্যতেরও এক রূপকল্প দেখায়। এটি শেখায়, কীভাবে প্রত্যেকে নিজের সচেতনতার স্তর বাড়াতে শুরু করে মানবজাতির অনিবার্য বিবর্তনে অংশগ্রহণকারী হতে পারে—বিচ্ছিন্নতা থেকে বেরিয়ে আমাদের পৃথিবীর বাইরের ভিনগ্রহী প্রাণের বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার পথে।
নতুন বাণী মানব-ইতিহাস ও মানব-উৎসের বহু ঊর্ধ্বে বিস্তৃত এক মহাবিশ্বে স্রষ্টার কাজ, উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা সম্পর্কেও এক প্রত্যাদেশ দেয়। এতে কেবল আমাদের পৃথিবীর বাইরের প্রাণের বাস্তব ছবিই নয়, বরং অন্য জগতে এবং মহাবিশ্বের বুদ্ধিমান প্রজাতিগুলোর মধ্যে আধ্যাত্মিকতা ও ঐশীত্ব কীভাবে অনুভূত, চর্চিত ও ভাগ করে নেওয়া হয়—তারও ছবি পাই।
মানবজাতিকে যোগাযোগ নামের এই বিবর্তনীয় ঘটনাটি সম্পর্কে সচেতন ও প্রস্তুত হতে হবে, আর নতুন বাণীর রূপে এখন সেটিই দেওয়া হচ্ছে।
এতে অংশ নিতে প্রত্যেকের সামনে সুযোগ আছে নতুন বাণীর মধ্য দিয়ে দেওয়া অন্তর ও বাহিরের বিকাশের পথে পা বাড়ানোর। এই পথ জীবনের সব দিকে কাজে লাগানোর মতো প্রজ্ঞা দেয় এবং নিজের জ্ঞান—আমাদের সবার ভেতরে থাকা সহজাত আধ্যাত্মিক বুদ্ধিমত্তা—গড়ে তোলার সুনির্দিষ্ট ধাপ দেখায়, যা এই সময়ে পৃথিবীতে তার উদ্দেশ্য পূরণের দিকে তার জীবনকে পরিচালিত করতে পারে।
মহাবিশ্বে বুদ্ধিমান প্রাণের সঙ্গে যোগাযোগ মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘটনা এবং তা মানব-অভিজ্ঞতার সত্যিকারের এক নতুন অধ্যায়। আমরা প্রত্যেকে ইতিহাসের এই মুহূর্তে বেঁচে আছি এই পরিবর্তনের অংশ হতে এবং মানবজাতির জন্য কল্যাণকর পরিণতিতে অবদান রাখতে।
উল্লেখযোগ্য যে আপনি এখানে এসে পৌঁছেছেন এবং নতুন বাণী খুঁজে পেয়েছেন—কিংবা হয়তো সে-ই আপনাকে খুঁজে পেয়েছে। এমনটি ঘটা কোনো দুর্ঘটনা নয়। এটি রহস্য বা নিছক আকস্মিকতা মনে হতে পারে, কিন্তু আসলে এই মুহূর্তে আপনার নতুন বাণী খুঁজে পাওয়ার একটি কারণ আছে, আর তা আপনার জীবনপথের সঙ্গে এবং আপনার চারপাশে প্রাণের বৃহত্তর গতির সঙ্গে জড়িত।
আপনার মতো মানুষদের আত্মকেন্দ্রিক দুশ্চিন্তা ও দৈনন্দিন ব্যস্ততা থেকে জেগে উঠতে আহ্বান জানানো হচ্ছে এবং গভীর বিবর্তনীয় পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যাওয়া এক পৃথিবীতে অবদান রাখার জন্য প্রস্তুত হতে বলা হচ্ছে। এখানে আপনার সুযোগ আছে সত্যিকারের এক নতুন জীবন গড়ার—উদ্দেশ্য, সম্পর্ক এবং মানবজাতির সবচেয়ে বড় বিবর্তনীয় সংকটের মুখে তার কল্যাণকর পরিণতিতে অবদানের জীবন।
এই প্রশ্নগুলো ভেবে দেখুন:
— আপনার কি মনে হয় আপনার জীবনের এমন এক গভীরতর ও রহস্যময় সারবত্তা আছে, যা আপনি খুঁজে চলেছেন?
— পৃথিবীতে প্রাণের বৃহত্তর গতিতে অংশ নিতে আপনি কি নিজের সাধারণ পরিস্থিতি ও ব্যস্ততার বাইরে যেতে তাড়না বোধ করেন?
— আপনার কি মনে হয় এমন কিছু নির্দিষ্ট মানুষ আছেন যাঁদের আপনাকে খুঁজে পেতে হবে, যাঁদের উদ্দেশ্য ও নিয়তি হয়তো আপনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে?
— আপনি কি টের পান যে পৃথিবী এক কঠিন ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে, আর এই চ্যালেঞ্জে ভরা নতুন পরিবেশে অবদান রাখার আহ্বান অনুভব করেন?
যদি তাই হয়, তবে এখানে আপনার এই আবিষ্কার হতে পারে নিয়তির সঙ্গে এক সাক্ষাৎ। নতুন বাণী এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয় এবং সেই উত্তরকে যাপন করে আপনার জীবনে তার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করার প্রস্তুতি দেয়। নতুন বাণীর ভেতরে রয়েছে জ্ঞানের সঙ্গে আপনার সংযোগ গড়ে তোলার এক দৈনন্দিন অনুশীলন—আপনার জীবনে অন্তর্গত পথনির্দেশের সেই উৎস, যা আপনার উচ্চতর উদ্দেশ্য এবং পৃথিবীতে আপনার জন্য নির্ধারিত সম্পর্কগুলো উন্মোচন করতে পারে।
নতুন বাণী উন্মোচন করে যে আমাদের পৃথিবীতে এবং মহাবিশ্বে প্রাণের বৃহত্তর সম্প্রদায়ে এক স্বাধীন ও ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে মানবজাতির এক নিয়তি আছে। সামনের সংঘাতগুলো মিটিয়ে ফেলার এবং পৃথিবীর পরিবেশ ফিরিয়ে এনে তাকে ভবিষ্যতের স্থায়ী আবাস করে তোলার শক্তি মানবজাতির আছে। মানবজাতির রয়েছে এক বৃহত্তর আধ্যাত্মিক বাস্তবতা ও একগুচ্ছ সামর্থ্য, যেগুলোকে সারা বিশ্বে রক্ষা করতে হবে, প্রকাশ করতে হবে ও লালন করতে হবে। এটিই আমাদের সামনে থাকা সুযোগ ও অপরিহার্যতা।
এ কীভাবে সম্ভব? যে বেপরোয়া পথে মানবজাতি এখন চলছে, সেখান থেকে সে কীভাবে সরে আসতে পারে? পরিবেশগত, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের ঢেউ যখন সব মানুষের স্বার্থ ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে হুমকিতে ফেলছে, তখন কী মানব-পরিবারের ভেতরে আরও বড় প্রেরণা জাগাতে ও সঞ্চার করতে পারে?
নতুন বাণী উন্মোচন করে যে এ কাজ করতে পারে জ্ঞান—সব মানুষের ভেতরে থাকা গভীরতর আধ্যাত্মিক শক্তি—যা মানুষের কাজ ও প্রেরণাকে উদ্দীপিত করে তাদের জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে পেতে সাহায্য করে এবং শেষ পর্যন্ত প্রতিযোগিতা, বিভাজন ও যুদ্ধের বদলে ঐক্য ও সহযোগিতা বেছে নিতে মানবজাতিকে সহায়তা করে।
সব মানুষের ভেতরে এই আধ্যাত্মিক শক্তি জাগিয়ে তোলার এবং এক বৃহত্তর রূপকল্প ও আমাদের অতীতের চেয়ে ঢের ভালো ভবিষ্যৎ গড়ার সামর্থ্যকে উদ্দীপিত করার শক্তি নতুন বাণীর আছে। এখানে ঐশী সত্তা কাজ করেন ব্যক্তির ভেতরে থাকা গভীরতর আধ্যাত্মিক বুদ্ধিমত্তার মধ্য দিয়ে—যে-কোনো অর্থনৈতিক অবস্থার, যে-কোনো জাতি ও বিশ্বাস-ঐতিহ্যের কিংবা কোনো বিশ্বাস-ঐতিহ্যহীন মানুষের মধ্য দিয়ে।
এখন পৃথিবীকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে স্রষ্টার কাছ থেকে এবং সেই দেবদূতীয় উপস্থিতির কাছ থেকে, যিনি এই বার্তাকে মানুষের ভাষা ও বোধে অনুবাদ করেন। এই সহায়তার ফলে আমাদের ও পৃথিবীর জন্য সামনে এগোনোর এক নতুন পথ রয়েছে, যা এক উচ্চতর উৎস থেকে দেওয়া।
নতুন বাণী আমাদের প্রত্যেকের জন্য এই সম্ভাবনা বহন করে যে আমরা আমাদের পৃথিবীকে নতুন করে গড়ে তোলা বৃহত্তর ঘটনাগুলো সম্পর্কে সচেতন হব এবং মানবজাতি যখন এই বড় বিবর্তনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে, তখন নিজের ভূমিকা পালন করতে মানসিক, শারীরিক ও আধ্যাত্মিকভাবে প্রস্তুত হব।
এখানে আসার জন্য এবং নতুন বাণী খুঁজে পাওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার জীবনের জন্য এক বৃহত্তর উদ্দেশ্য রয়েছে, আর নতুন বাণী আপনাকে সেই উদ্দেশ্য দেখতে, তার জন্য প্রস্তুত হতে এবং আপনার জীবনে তা সুনির্দিষ্ট কাজ ও অভিজ্ঞতায় রূপ দিতে সাহায্য করতে পারে।
নতুন অনুবাদ এবং ভবিষ্যতের ইভেন্ট সম্পর্কে আপনাকে অবহিত করা হবে। আপনি সাবস্ক্রাইব করার সাথে সাথে, আপনি "জ্ঞান অর্জনের ধাপ" বইটি পিডিএফ ফর্ম্যাটে পাবেন। "জ্ঞান অর্জনের ধাপ" নতুন বাণী শেখার এবং জীবনযাপন করার জন্য প্রয়োজনীয় পাঠ এবং অনুশীলন প্রদান করে। স্ব-অধ্যয়নের ফর্ম্যাটে দেওয়া, এতে ৩৬৫ টি ধাপ (দৈনন্দিন অনুশীলন) রয়েছে যা আপনাকে শেখায় কিভাবে নিশ্চিতভাবে এবং ভিতরের গভীর বুদ্ধিমত্তার নির্দেশনায় দেখতে, জানতে এবং কাজ করতে হয়। এটি প্রকৃত আত্ম-সংকল্প এবং অভ্যন্তরীণ জ্ঞানের অধ্যয়ন।
অনুসন্ধান